ত্ব মে ব মাতা চ পিতা ত্ব মে ব
ত্ব মে ব বন্ধু চ সখা ত্ব মে ব ।
ত্ব মে ব বিদ্যা দ্রবিনং ত্ব মে ব
ত্ব মে ব সর্বং মম দেব দেব । ।
আজিকালি ভারতবর্ষ তথা বিশ্ব পরিস্থিতি যেদি যাচে তাতে বিবেকানন্দের একখান বাণী খুবি প্রসঙ্গিক বলি মনে হছে :
...................................""সাবধান! আমাদের মধ্যে যাহাতে কিছুমাত্র অসত্য প্রবেশ না করে। সত্যকে ধরিয়া থাকো, আমার নিশ্চয় কৃতকার্য হইবে। হইতে পারে বিলম্বে, কিন্তু নিশ্চিত কৃতকার্য হইব, এ সম্বন্ধে কোন সন্দেহ নাই। কাজ করিয়া যাও। মনে কর, আমি জীবিত নাই। এই মনে করিয়া কাজে লাগো, যেন তোমাদের প্রত্যেকের উপর সমুদয় কাজের ভার। ভাবী পঞ্চাশ শতাব্দী তোমাদের দিকে চাহিয়া আছে। ভারতের ভবিষ্যৎ তোমাদের উপর নির্ভর করিতেছে। কাজ করিয়া যাও ।""...............................
বিসয়টা হইল কি অনেক পাঠক কবেন যে বিবেকানন্দ ১৯০০ সালের কাছাকাছি এই বাণীটা দিছে এলা তো হামা স্বাধীন তালে এর প্রাসঙ্গিকতা এই সময় কি ? কিন্তু আসল কথা হইল মহাপুরুষ দের বাণী একই থাকে খালি সময় আর পরিস্থিতি অনুযায় সেইগুলার ব্যবহার পাল্টায়। এলা অসু এই কথায় যে ২১ বিংশ শতাব্দীর ভারতবর্ষে এর প্রাসঙ্গিকতা তথা হামার রাজবংশী জাতির আগামীকাল এর সাথে কেনং করি যুক্ত।
পশ্চিমবঙ্গের কাথায় ধরি এঠে কোচবিহার আর জলপাইগুড়ি এ মূলত রাজবংশী লোক নয। আর ২০১১ এর জনগণনা অনুযায়ী কোচবিহার এর ৫০ শতাংশ মানে ১৫ লাখের মত আর জলপাইগুড়ি র ৪০ শতাংশ মানে মোটামুটি ১৬ লাখের মত লোক রাজবংশী। আর উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলাত যেগুলা মানসী রাজবংশী বলি দাবি করে তাদের কথা ছাড়ি দিনু। তারমানে ৩১ লাখের রাজবংশী সম্প্রদায় পশ্চিমবঙ্গের ৯ কোটি জনসংখ্যার কাছে খুবই নগন্য এই সিধান্তে আশা গেইল। এলা আসু ধর্মের কথায় পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৭শতাংশ মুসলমান মানে ২ লাখ ৫০ হাজার এর মত। উমহার তুলনায় হামা খুবই কম।
অর্থাৎ এলা কোনো লোক যদি কয় এ তমহা রাজবংশী মুসলমান এর নগত যাও। তমহা তপশিলি জাতি আর মুসলমান রাও অল্পসখ্যক তাহলে ওই লোককে চিনি থন ওই লোকের উদ্দেশ আলাদা ওই চায় রাজবংশী তার ইতিহাস থাকি দুরে সরি যাক। এনং লোকক কোনদিন প্রশ্রয় দিবেন্ন্না। কেননা বর্ডার এর উপাখে বাংলাদেশে উগ্র মুসলমান গিলা কি করেছে তা এলা সগি জানি গাইসে।
রাজবংশী জাতি যাতে কোনদিন নাভুলে যে হিন্দু ই তমহার প্রথম পরিচই। যেই ধর্মান্ধ লোকের জন্যে পুরা বিশ্ব এলা রক্ত পাতে লিপ্ত রাজবংশী সমাজ উমার বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবে এইখান প্রার্থনায় ভগবানের কাছে করু।
এইবার কোম কেনে মুই ওই বাণী খানের কথা ইথে উল্লেখ করিনু। আগামী পঞ্চাশ বছর ভারতবর্ষ র তথা পৃথিবীর চারিদিকে এনং অনেক ঘটনায় ঘটিবে যাতে হিন্দু ধর্ম র উপর অনেক আঘাত আসিবে। হামার সমাজ নিত্য পরিবর্তিত হবে। হামা রাজবংশীরা যাতে তার সংস্কৃতি আর এর ধর্মের উপর থেকে এখ বিন্দুও এদিক ওদিক না নডি। আর হে আধুনিকতা কে আলিঙ্গন করিম নিজের জীবনে মনে কিন্তু তার স্রোতে শিকড় হীন গাছের মত বয়ে যাবনা এই প্রতিজ্ঞা করার সময় আছিসে। উত্তর্পুর্বের এই অঞ্চলে হিন্দু গেরুয়া ধ্বজা ধরি রাখার দায়িত্ব মা কামাখায় হামাক দিছে। হামার পূর্ব পুরুষ রা যা করিছে হামাও তা করিম। .............
"মহাপ্রাণ, ওঠ জাগো ! জগৎ দুঃখে পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে— তোমার কি নিদ্রা সাজে?"
..............
জয় হিন্দু জয় কামতাপুর।
....

No comments:
Post a Comment